বৃহস্পতিবার, ২৫ Jun ২০২৬, ০৭:৫২ পূর্বাহ্ন
ধর্ষণ , ফাইল ছবি শাহাব উদ্দীন সিকদার, মহেশখালী
মহেশখালীর কালামারছড়ায় ৭ বছরের স্কুল ছাত্রীকে ধর্ষণের ঘটনার ৩ দিন অতিবাহিত হওয়ার পর ধর্ষকের বিরুদ্ধে মহেশ খালী থানা একটি ধর্ষন মামলা রুজু হয়েছে।
জানা যায়, গত ২২শে জানুয়ারী রবিবার রাত ৯ টার দিকে চালিয়াতলি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ১ম শ্রেনীর ছাত্রী আশরাফ আলি নুনু মিয়ার ৭ বছরের শিশু কন্যাকে ধর্ষণ করে। শিশুটি দক্ষিণ চালিয়াতলি গ্রামের নিজ বাড়ীর উঠানে বাহির হলে আগে থেকে উৎপেতে থাকা পার্শ্ববর্তী মুরগী ফার্মের মালিক মোহাম্মদ এমরান( ২০) ওই শিশুটিকে ঝাপটে ধরে জোরপূর্বক মুরগি ফার্মে নিয়ে যায় এবং ধর্ষণ করে। ধর্ষণের পর শিশু মেয়েটি ধর্ষকের হাত থেকে ছাড়া পেয়ে ভয় পেয়ে দৌঁড়ে বাড়িতে চলে যায়। ওই শিশুর বড় বোন জানান, তারা মেয়েটি জোরপুর্বক গোসল করিয়ে দিয়ে ধর্ষনের আলামত নষ্ট করে। এই ঘটনা টি ধামাচাপা দিতে ধর্ষকের দুলাভাই সহ প্রভাবশালীরা চাপ দিতে থাকে ভিকটিমের পরিবার কে। ভিকটিমের বোন বোন ময়না মুঠোফোনে আরো জানান ধর্ষকের বোনজামাই চালিয়াতলীর স্ক্র্যাপ ব্যবসায়ী লিয়াকত আলীসহ কয়েকজন লোক আমার বাড়িতে এসে বিষয়টি মিমাংসা করার জন্য বলেন এবং এ ব্যাপারে গণমাধ্যমকর্মীদের কাছে কোন খবর যাতে না যায় সেজন্য হুশিয়ার করে হুমকি দিয়ে যান। এর পর বিষয়টি মীমাংসা করার জন্য যোগাযোগ করার চেষ্টা করা হলে কালক্ষেপন করতে দামাচাপা দেওয়ার চেষ্টা চালিয়ে যেতে থাকে সেই সাথে লাগাতার প্রাণ নাশের হুমকি দিতে থাকে।
ঘটনাটির খবর পেয়ে মহেশখালী থানা পুলিশের একটি টিম ভিকটিমের পরিবার কাছে গেলেও ভিকটিমের পরিবার প্রভাবশালীদের ভয়ে মুখ খুলেনি বলে জানা গেছে। ধর্ষণের শিকার মেয়ে শিশুটির পিতা আশরাফ নুনু একজন নিরীহ অটোচালক হওয়ায় এবং ধর্ষকের পরিবার প্রভাবশালী হওয়ায় মুখ খুলেনি বলে সুত্রে প্রকাশ। এই ঘঠনা নিয়ে সোশ্যাল মিডিয়ায় একজন সাংবাদিাের একটি অডিও রেকর্ড় ফাঁস হলে ভিকটিমের পরিবার সহ স্হানীয় সচেতন মহল সহ এলাকাবাসী ক্ষোভে ফুসে উটে, সেই সাথে প্রশাসন সহ সবাই তৎপর হয়ে উঠে। ফলে আজ ২৬ শে জানুয়ারী শিশুর পিতা আশরাফ আলী নুনু বাদী হয়ে ধষক মোহাম্মদ এমরান (২০) পিতা এনামুল হক বাদশাকে কে আসামি করে (৯) (১) ২০০০ সালের নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে মহেশখালী থানায় একটি মামলা দায়ের হয়েছে ।
এ ব্যাপারে জানতে চাইলে তদন্তকারী কর্মকর্তা মহেশখালী থানার এ এস আই শাহাদত হোসেন জানান ধর্ষকের বিরুদ্ধে অভিযান পরিচালিত হচ্ছে। যেখানেই অবস্থান করুক না কেন শিগ্রই আইনের আওতায় আনা হবে।
ভয়েস/ জেইউ।